নির্বাক পৃথিবী, রক্তাক্ত গাজা, মানবতা কোথায়?

রবিউল হাসান সাগর, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, ঢাকা কলেজ।
মঙ্গলবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৫

ফিলিস্তিন শুধু একটা নাম বা কোনো একটা দেশ নয়; এই নামটি উচ্চারণের সাথে সাথে আমাদের মনে ভেসে ওঠে একটি রক্তাক্ত ইতিহাস, অমানবিক নির্যাতন আর শোষণের বেদনাদায়ক ভয়াবহ চিত্রগুলো। নির্বাক পৃথিবী, রক্তাক্ত গাজা, মানবতা কোথায়? এই শিরোনামে লিখেছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে শিশুদের কান্না-

ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা শুধু ইট-পাথর নয়, চাপা পড়ে আছে ছোট ছোট নিষ্পাপ মুখ, ভাঙা খেলনা, রঙিন খাতা-কলম আর হাজারো মানুষের অগোচর কান্না। গাজার প্রতিটি ধ্বংস হওয়া ভবনের নিচে হয়তো এখনো কোনো শিশু নিঃশব্দে চিৎকার করে যাচ্ছে- 'আমাকে বাঁচাও!' কিন্তু সেই চিৎকার শুনবার কেউ নেই। চারপাশে কেবল বোমা, আগুন আর ধোঁয়ার রাজত্ব। কিছুদিন আগেও একটি ছয় বছরের মেয়ের লাশ পাওয়া গেছে তার পুতুল বুকে চেপে ধরা অবস্থায়। কিছুক্ষণ আগেও সে হয়তো খুশিতে পুতুল নিয়ে খেলছিল। এখন তার নিথর দেহ ধ্বংসের স্তূপে পড়ে আছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে- বিশ্ব নিশ্চুপ। হাজারো শিশুর ছোট ছোট স্বপ্ন আজ বিধ্বস্ত স্কুলে যাওয়ার, বন্ধুদের সঙ্গে হাসির, মায়ের কোলে ঘুমানোর। কিন্তু এই শিশুরা আজ ঘুমায় ধুলোর মধ্যে, অস্তিত্বহীন এক বেহাল জীবনে। যুদ্ধ কাদের জন্য? কেন? কেন শিশুরা এর শিকার হবে? ফিলিস্তিনের শিশুরা আজ মানব সভ্যতার বিবেককে প্রশ্ন করে 'আমরা কি মানুষ নই?' তারা তো কোনো দেশের রাজনীতি বোঝে না, ধর্ম বোঝে না, বোঝে না কোনো দেশের সীমান্ত। তারা শুধু মায়ের হাত ধরতে চায়, বইয়ের পাতা উল্টাতে চায় আর চায় একটু শান্তির শ্বাস। তাদের কান্না যেন বাতাসে মিলিয়ে না যায়, সেদিকে পুরো বিশ্ব খেয়াল রাখতে হবে। আমরা যদি সত্যিই মানুষ হই, তবে আমাদের বিবেক জাগ্রত হোক। এখন উচিত সবাই ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সাহায্য সহযোগিতা করা। 

শফিকুল ইসলাম আসিফ 

ইসলামিক স্টাডিজ 

শিক্ষার্থী, কবি নজরুল সরকারি কলেজ।

শিশুদের রক্তে মানবতা আজ লজ্জিত-

গাজায় চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে শিশুদের উপর যে ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে, তা মানবতার জন্য এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত বহন করে। ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে গাজায় কমপক্ষে ১৩,৩১৯ শিশু নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ৭৮৬ জন এক বছরের নিচে। ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক এই শিশু মৃত্যুকে 'লজ্জাজনক' বলে বর্ণনা করেছেন এবং সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। শিশুরা শুধু শারীরিকভাবে নয়, মানসিক ও সামাজিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের অধিকাংশই পরিবার হারিয়েছে, ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এই পরিস্থিতি তাদের ভবিষ্যৎ সামাজিক ও মানসিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।বাংলাদেশ যা সবসময় মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়িয়ে এসেছে, গাজায় শিশুদের উপর নির্যাতনের এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সরকার এবং জনগণ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা পাঠাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে সমন্বয় করে শিশুদের সুরক্ষার জন্য কাজ করছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগগুলো পর্যাপ্ত নয়। দ্রুততর এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, আমাদের মানবতার মৌলিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য অপরিহার্য।

সাদিয়া সুলতানা রিমি 

শিক্ষার্থী, গণিত বিভাগ 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

রকেট আর প্রতিশোধ নয়, দরকার ন্যায়বিচার-
ফিলিস্তিনের আকাশে আবারও অগ্নিবৃষ্টি। মাটির বুকে লুটিয়ে পরেছে অবুঝ শিশু, নারী এবং বৃদ্ধা। গাজা উপত্যকায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞে যখন শিশুর লাশ কাঁধে নিয়ে একজন পিতা আর্তনাদ করে ওঠে, তখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির কূটচাল নিঃশব্দে মুখ লুকিয়ে ফেলে। যুদ্ধবিমানের গর্জন আর প্রতিশোধের অহমিকা এই সংকটকে কখনোই সমাধান করতে পারেনি। কেননা, ফিলিস্তিন সংকট আজকের নয় দশকজুড়ে চলা একটি বঞ্চনার ইতিহাস। যেখানে প্রতিবারই রাজনৈতিক সমাধানের পথ রুদ্ধ হয়েছে আগুনের গোলায়, আর কণ্ঠরোধ হয়েছে রক্তাক্ত লাশের নিচে। এই সংঘাত কেবল ভূরাজনৈতিক লড়াই নয়; এটি একটি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম, যেখানে প্রাথমিক অধিকারটুকুও অস্বীকৃত। এই রক্তচক্র ভাঙতে হলে প্রথমেই থামাতে হবে প্রতিহিংসার রাজনীতি। রকেট কখনোই স্বাধীনতা এনে দেয় না এবং প্রতিশোধ কেবল ঘৃণার পুনর্জন্ম ঘটায়। ফিলিস্তিনিদের আজ যেটা সবচেয়ে বেশি দরকার, তা হলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ন্যায়বিচার যেখানে অধিকার, ভূমি ও স্বাধীনতা কেবল ঘোষণাপত্রে নয় বাস্তবে নিশ্চিত হয়। যুদ্ধবিরতি সংকটের সমাধান নয়। কারণ যুদ্ধ তো কখনো বন্ধই হয়নি, চলেছে একচেটিয়া দমন-পীড়নের রূপে। এই অবরোধ, ভূমি দখল আর জাতিগত নিধনকে যদি কেউ আত্মরক্ষার অধিকার বলে চালাতে চায়, তবে সে মানবতার প্রতিও অন্যায় করছে। আমরা যদি ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়াতে ব্যর্থ হই, তবে মানবসভ্যতার সমস্ত অগ্রগতি শুধু এক শ্রুতিমধুর ভণ্ডামি হয়ে থাকবে। তাই সুষ্ঠু ন্যায়বিচারের পথে হাঁটতে হবে, নয়তো আরেকটি প্রজন্ম কেবল ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই জন্ম নেবে, বড় হবে এবং হারিয়ে যাবে অন্যায়ের অভিশাপে।
প্রজ্ঞা দাস 
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ 
ইডেন মহিলা কলেজ।

Advertisement
আর প্রাণ না ঝরুক ফিলিস্তিনে-
ফিলিস্তিন শুধু একটা নাম বা কোনো একটা দেশ নয়; এই নামটি উচ্চারণের সাথে সাথে আমাদের মনে ভেসে ওঠে একটি রক্তাক্ত ইতিহাস, অমানবিক নির্যাতন আর শোষণের বেদনাদায়ক ভয়াবহ চিত্রগুলো। এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্ম ফিলিস্তিনের মাটি রক্তে রঞ্জিত হয়ে আসছে এবং এখনো সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। কতশত মায়ের বুক খালি হয়েছে, কতশত সন্তানের মাথার ওপর থেকে বাবা-মায়ের ছায়া সরে গেছে তা কল্পনার বাহিরে। এখন প্রশ্ন দাঁড়ায়- এভাবে আর কত? আর কত লাশ ঝরবে এই পবিত্র ভূমিতে? কেন সমাধানের পথে আমরা এগোতে পারছি না? আবার কেন-ই বা শান্তির পথে আমরা পা বাড়াতে পারছি না? সেই ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের মূলে রয়েছে ফিলিস্তিনের মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার এক দীর্ঘ ইতিহাস। ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই ভূখণ্ডের উপর শুরু হয় একের পর এক ভয়াবহ নির্যাতন। প্রতিদিন সেখানে নতুন নতুন মানবিক বিপর্যয়ের জন্ম হচ্ছে। ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর ইসরাইলের বোমা হামলা, নির্বিচারে গুলিবর্ষণ, শিশু ও নারীদের ওপর নির্যাতনের যে ধারা প্রতিনিয়ত চলছে তা মানবতার চরম অপমান এবং আন্তর্জাতিক নীতির সঙ্গে পুরোপুরি অসঙ্গতিপূর্ণ। ফিলিস্তিনের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়- এখানে প্রতিনিয়ত ঘটছে দখলদারিত্ব, আগ্রাসন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো একেকটি ঘটনা। একদিকে রয়েছে ইসরাইলি দখলদার শক্তি, যারা বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও শক্তিশালী সামরিক শক্তি দ্বারা সজ্জিত; অন্যদিকে রয়েছে নিরস্ত্র এবং অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি জনগণ। তাঁদের অস্ত্র রয়েছে শুধু তাঁদের আশা, ভালোবাসা এবং নিজেদের জন্মভূমিতে বেঁচে থাকার মতো কঠিন একের পর এক সংগ্রাম। কিন্তু এই সংগ্রাম প্রতিনিয়ত দমন করা হচ্ছে ইসরায়েল থেকে আসা গোলাবারুদ আর বুলেটের মাধ্যমে। জাতিসংঘে ফিলিস্তিন ইস্যুতে অনেক প্রস্তাব পাশ করেছে, তবে তা বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই। ইসরাইলের প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের একাংশের সমর্থন; বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী দেশের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এই সংঘাতকে আরও প্রকট করে তুলছে। অন্যদিকে আরব বিশ্বের একতা এবং কার্যকর পদক্ষেপের অভাবও ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার পথে প্রধান বাধা হিসেবে কাজ করছে। এ যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফিলিস্তিনের শিশুরা। একটি জাতির ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে তার সন্তানদের উপর কিন্তু ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ যেন ধ্বংসের মুখে। এই শিশুদের মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি অপূরণীয়। যেই বয়সে শিশুদের স্কুলে গিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করার কথা, সেই বয়সে তাঁরা শিখছে বাঁচার মতো একটা কঠিন সংগ্রাম। এখন ফিলিস্তিনের জনগণের দীর্ঘদিনের যন্ত্রণার অবসান ঘটাতে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সুনির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করতে হবে।  
রবিউল হাসান সাগর
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ
মোবা: 01748016953

চাই সুন্দর একটা স্থায়ী সমাধান-
ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসন আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও দীর্ঘস্থায়ী সংকটগুলোর একটি। এর কেন্দ্রে রয়েছে ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল এবং সেখানে অবৈধ বসতি স্থাপন। এই দখলদারিত্ব শুধু ভূখণ্ডের দখল নয় বরং এটি একটি জাতির পরিচয়, ইতিহাস ও মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত করে। এই সংকটের একটি স্থায়ী ও ন্যায়ভিত্তিক সমাধান খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের জমি দখল ও বিতাড়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে পশ্চিম তীর, গাজা ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকে একের পর এক অবৈধ বসতি গড়ে তোলে তারা, যা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের রেজুলেশন লঙ্ঘন করে। ইসরায়েলের নির্মম আগ্রাসনের মুখে আজ লাখো ফিলিস্তিনি তাদের ঘরবাড়ি ছাড়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ধর্মীয় স্থান ধ্বংস হয়েছে।গণহত্যা, নির্যাতন ও অবরোধের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জনগণের মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ব্যাহত হচ্ছে এবং পুরো বিশ্বে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। ১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ইসরায়েলের দখলকৃত এলাকা থেকে সরে যাওয়া, এটাই এখন সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ সমাধান হিসেবে বিবেচিত। জাতিসংঘের বিভিন্ন রেজুলেশন অনুযায়ী ইসরায়েলের বসতি নির্মাণ অবৈধ। বিশ্ব সম্প্রদায়কে চাপ প্রয়োগ করে এই দখলদারিত্ব বন্ধে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বয়কট, নিষেধাজ্ঞা এবং কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে তারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে। ওআইসি, আরব লীগসহ মুসলিম ও নির্যাতিত জনগণের পক্ষে দাঁড়ানো দেশগুলোকে এক কণ্ঠে কথা বলতে হবে এবং বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। ইসরায়েলের দখলদারিত্ব শুধু একটি রাজনৈতিক সমস্যা নয়, এটি একটি মানবিক সংকট। এই সংকটের সমাধানে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সদিচ্ছা, ন্যায়ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। ফিলিস্তিনের জনগণের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
আব্দুর রহমান
শিক্ষার্থী- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

Comments

No comments

Add a comment:

কাজী গ্রুপ ও WWWA-এর আয়োজনে সংগীত সন্ধ্যা ও সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

কাজী গ্রুপ ও WWWA-এর আয়োজনে সংগীত সন্ধ্যা ও সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে আলেম সমাজের বড় একটি অংশকে কখনো সোচ্চার হতে দেখি না: আসিফ নজরুল

এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে আলেম সমাজের বড় একটি অংশকে কখনো সোচ্চার হতে দেখি না: আসিফ নজরুল

ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৪১ ফ্লাইট বাতিল, ক্ষতিগ্রস্ত ২১৯৩৩ যাত্রী

ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৪১ ফ্লাইট বাতিল, ক্ষতিগ্রস্ত ২১৯৩৩ যাত্রী

আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি, যে তথ্য দিল পুলিশ

আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি, যে তথ্য দিল পুলিশ

নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই, এটাই শেষ কথা: আব্দুল হাই সাইফুল্লাহ

নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই, এটাই শেষ কথা: আব্দুল হাই সাইফুল্লাহ

ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ? ফুটবল ছাড়ার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন নেইমার

ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ? ফুটবল ছাড়ার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন নেইমার

২৯ অক্টোবর এইচএসসির ফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি ভুয়া

২৯ অক্টোবর এইচএসসির ফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি ভুয়া

সিনেমায় অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন টম ক্রুজ

সিনেমায় অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন টম ক্রুজ

দাম্মাম-রিয়াদে বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত

দাম্মাম-রিয়াদে বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত

দ. কোরিয়াকে ‘বিরক্ত’ করতে সীমান্তে মাইক বাজাবে উ. কোরিয়া

দ. কোরিয়াকে ‘বিরক্ত’ করতে সীমান্তে মাইক বাজাবে উ. কোরিয়া

যে ব্যবসায় বাজিমাত সামান্থার, আয় ১২০ কোটি রুপি

যে ব্যবসায় বাজিমাত সামান্থার, আয় ১২০ কোটি রুপি

রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন

রাস্তার পাশে পিঠা বিক্রি করলেও লাগবে নিবন্ধন

ডিভি লটারি: বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন?

ডিভি লটারি: বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন?

ফেসবুকের গোপনীয়তা লঙ্ঘন, মেটার ইতিহাসে সর্বোচ্চ জরিমানা

ফেসবুকের গোপনীয়তা লঙ্ঘন, মেটার ইতিহাসে সর্বোচ্চ জরিমানা

আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ

আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ

আজ রাতে ঘুমালে আকাশের যা মিস করবেন

আজ রাতে ঘুমালে আকাশের যা মিস করবেন

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ নথিতে ছিল না সাজার তথ্য

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ নথিতে ছিল না সাজার তথ্য

হঠাৎ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রিয়াদ

হঠাৎ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রিয়াদ

সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন