সময় শেষ হওয়ার পূর্বে খাতা জমা দেওয়ায় শিক্ষকের হাতে ছাত্র আহত
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দুর্জয় মাহমুদ কাজী টিভিকে জানান,
আমি রউফ কলেজের এইচএসসি ২৩ ব্যাচের একজন ছাত্র।গতবছর এইচএসসি পরীক্ষায় ৪.৬৭ জিপিএ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়।যার ফলশ্রুতিতে এই বছর কোন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে পারি নাই। কলেজ জীবনের শুরু থেকে স্বপ্ন ছিল বুয়েটে পড়ার।তাই আমি এইচএসসি ২৪ এর সাথে ইম্প্রভমেন্ট পরীক্ষা দেওয়ার জন্য কলেজের সাথে যোগাযোগরেখে যাচ্ছিলাম।কলেজ থেকে টেস্ট পরীক্ষায় সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছিল।তখন ঢাবি রাবি চবির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলো থাকায় টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয় নি।আজ ফরম ফিলাপের সর্বশেষ তারিখ ছিল।আজ থেকে কলেজে মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
আমি পরীক্ষায় সংগ্রহ করার জন্য কলেজ যায়।১ ঘন্টা ১০ মিনিটের দিকে আমি খাতা জমা দিয়ে বের হওয়ার সময় কাজী সাইফুল্লাহ স্যার আমাকে মারধর করা শুরু করে। উনার পায়ে ধরে মাপ চাওয়ার পরও উনি চড় থাপ্পড় মেরেই যাচ্ছিলেন।তারপর আমার বাবাকে নিয়ে অনেক বাজে কথা বলা শুরু করে। আমি উনাকে বলি বাবাকে নিয়ে বাজে কথা বলতাছেন কেন।তারপর আরো রেগে গিয়ে আমাকে মারা শুরু করে। আমাকে বলে- তর বাপ এইখানে বসে আছি দেখস না, শালা!তোকে মারতে মারতে হসপিটালে পাঠাব।উনার মার সহ্য করতে না পেরে আরো দুই তিনবার উনার পায়ে ধরে মাফ চাই। তবুও আমাকে মেরেই যাচ্ছিল।আমার বন্ধু নাজমুল স্যারকে বলে- স্যার ওরে মাফ করে দেন।তারপর ওরে মারত2503; যায়।গতকাল রাতে আমি ভুল করে লোকাস বাসে উঠে যায়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে যেখানে আসতে নরমালি ২ ঘন্টা লাগে বাসের সেখানে আমার ঢাকা আসতে ৫ ঘন্টা লাগে।ধানমন্ডি ৭-A এর বাসায় সিএনজি নিয়ে আসতে আসতে রাত ২ টা হয়ে যায় প্রায়।রাতে কিছু খেতে না পারার জন্য ঘুমাতেও পারি নাই। যার ফলে চোখ লাল হয়ে ছিল।গাজী সাইফুল্লাহ স্যার আমাকে বলে- আমি নেশা করি।আমার মাকে কল দিয়ে বলে আপনার ছেলে তো নেশা করে, ওরে নেশা করার জন্য আরো ৪-৫ হাজার বাড়িয়ে দিয়েন।
পরে আমার ক্লাস টিচার জহিরুল ইসলাম জয় স্যার আমাকে কলেজের মেডিকেল রুমে নিয়ে যায়।আমার পার্লস কমে গিয়ে ছিল।প্রেশারও কমে গিয়ে ছিল।সারাশরীর কাঁপতে ছিল।এতকিছুর পরও আজ আমি ফরম ফিলাপ করতে পারি নাই।আমাকে ফরম করতে দেওয়া দেওয়া হবে না। অথচ বোর্ড থেকে ইম্পুভমেন্ট পরীক্ষার জন্য এমন কোন নিয়ম নেই যে টেস্ট পরীক্ষা দিতে হবে।আমাকে এভাবে মারধর করার অধিকার কি স্যারের আছে?
উনি হয়তো ভুলে গিয়ে ছিলেন যে আমার মতো ছাত্রদের বাবারা যে টাকা টিউশন ফি দেয় সে টাকায় উনার সংসার চলে। এই কথাটা মাথায় থাকলে আমার বাবার পেশা নিয়ে কিছু বলতে পারত না।আমার বাবার পেশা নিয়ে কিছু বলার অধিকারও স্যারকে কেউ দেয় নাই।আমি কোথায় গেলে সঠিক বিচার পাব?সিসিটিভি ফুটেজে সবকিছু রেকর্ড আছে।
আমার এডমিশন জার্নি-
DU- 6050 th
Ru- 3020
Ju- 5900+
Cu- 20k+
Gst- 6946 th
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নেওয়া

Comments
No comments
Add a comment: