দহগ্রাম গেটে গরুর স্লিপ বানিজ্যর অনিয়ম ধরলেন পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা


লালমনিরহাট পাটগ্রাম দহগ্রাম ইউনিয়নে গরুর সিন্ডিকেট কর্তৃক স্লিপ বানিজ্য ঘিরে রয়েছে নানা অভিযোগ। গরু পারাপারের সময় গরুর প্রকৃত মালিককে এসময় করিডোরে প্রায়ই দেখা যায় না। এসব নানা অভিযোগের সত্যতা খুঁজতে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হক সুমন ও সহকারি কশিশনার ভূমি মাহমুদুল হাসান বুধবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে আলোচিত তিনবিঘা করিডোর গেইটে সরেজমিনে গিয়ে হাজির হন।
বিজিবির কাছে জমাকৃত খতিয়ান ও প্রকৃত কৃষকের খাতাপত্র যাচাই-বাছাইের এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেই এসবের ভিতর গড়মিল খুঁজে পান। অধিকাংশ গরুর মালিককে এসময় পাওয়া যায়নি। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হক সুমনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, ৩০ টি গরু থেকে ৩ টি গরুর মালিককে পেলেও বাস্তবে অমিল থাকায় সেগুলো সিজারের তালিকায় নেওয়া হয় এবং ১৩ টি গরুর মালিককে না পেয়ে আপাতত ফেরত দিয়ে হেফাজতে রাখা হয়। এছাড়াও আরও ১৩ টি গরু বিভিন্ন বাড়ি থেকে জব্দ করে সিজারের আওতাভুক্ত করা হয়। এসময় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ও বিজিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনবিঘা করিডোর হয়ে বাংলাদেশের মুল ভূখণ্ডে প্রতি শনিবার ও বুধবার বিজিবি-বিএসএফ'র তত্তাবধানে গরু পার হয়ে আসে মোট ষাটটি। এদের মধ্যে বেশিরভাগ গরু আসে চোরাই পথে। পরে এগুলো ঘিরে তৈরী হয় সিন্ডিকেট, চলে স্লিপ বানিজ্য। যে বানিজ্যে জড়িত অধিকাংশ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এমন অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে কৃষকের কাছ থেকেই পাওয়া যায়।

Comments
No comments
Add a comment: