হুমকির মুখে পঞ্চগড়ের চাষ শিল্প

১৮৫৪ সালের ব্রিটিশদের হাত ধরে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় সিলেটের মালনিছড়ায়। এরপাই দেড়শ বছর পর দুই হাজার সালে পঞ্চগড়ে বাণিজ্যিকভাবে চাচা শুরু হয়।
সড়কের পাশে উঁচু প্রতি জমি কিংবা পুকুরের পাড়ে এমনকি বাড়ির আঙিনা দেখতে পাওয়া যায় এ চা বাগান। এসব চা বাগান বদলে দিয়েছে বেকার শ্রমিকের ভবিষ্যৎ তৈরি করেছে কর্মসংস্থান, গত ২ দশকে পঞ্চগড়ে গোচারণ ভুমি ভরে গেছে সবুজ চা বাগানে। দেশের একমাত্র জেলা পঞ্চগড় যেখানে সমতলে চা চাষ হয়। শুরুতে চা চাষ সাফল্যের দেখা মিললেও, দিন দিন কমে যাচ্ছে এ সাফল্যের ছোঁয়া। বর্তমান সময়ে সিন্ডিকেট করে পাতার দাম খেয়াল খুশি মতো নির্ধারণ করা হয়।আর্থ সামাজিক কে ô1;ন্নয়নের চা এখন এগিয়ে গেলেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চাষীদের। সরকার সরকার কর্তৃক চা পাতার মূল্য 22 টাকা নির্ধারণ করে দিলেও, অসাধু ব্যবসায়ীরা ১০ থেকে ১২ টাকা করে চা পাতা ক্রয় করে সাথে 40 থেকে 50% কর্তন করে নেয়। গত 2 সেপ্টেম্বর দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ের উদ্বোধন করলেও কোন প্রকার আশার মুখ দেখেনি চাষিরা। সমতলের চাষ শিল্পে ৩০ হাজার শ্রমিক ছাড়াও রয়েছে ৮০ হাজার ক্ষুদ্র চা চাষী। দেশে উৎপাদিত চায়ের উনিশ শতাংশ আসে পঞ্চগড় থেকে । বাংলাদেশে একমাত্র প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ১০০ ভাগ অর্গানিক চা উৎপাদিত হচ্ছে পঞ্চগড়েই কিন্তু চা চাষিরা চা পাতার ন্যায্য দাম না পাওয়ায় চরম হতাশায় ভুগছে ।অনেকেই স্বপ্নে নিয়ে লাগানো চা বাগান উপড়ে ফেলে অন্য চাষাবাদ এর দিকে ঢুকছেন।

Comments
No comments
Add a comment: