সিরাজগঞ্জে প্রতিমা বির্সজনের মধ্যে দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দূর্গাপূজার সমাপ্তি

সারাদেশে বিজয়া দশমীর দিনে প্রতিমা বির্সজনের মধ্যে দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজার সমাপ্তি হলো। সিরাজগঞ্জ জেলায় এবছর প্রায় ৫২৫ টি মন্ডপে পূজা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে এনায়েতপুর থানা দিন ৩৫ টি মন্ডপে পূজা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় বেতিল হালদার পাড়া সহ দূর্গা প্রতিমা নিয়ে একে একে করে বেতিল,খামার গ্রাম, গোপালপুর,বেতিল খেয়াঘাটে এসে জমায়েত হন এবং পরিশেষে তারা যমুনা নদীতে প্রতিমা বির্সজন করেন।
এ সময় চৌহালী উপজেলার ইউএনও মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন আমার চৌহালী উপজেলার মধ্যে সদিয়া চাঁদপুর একটি ইউনিয়ন
এ ইউনিয়নে বেতিল,খামার গ্রামে ১০ টি পূজা মন্ডপ রয়েছে, আমরা দেখেছি এবং আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যতোষ্ট তৎপর ছিল।যার ফলে এ বছর কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটনি এবং উৎসব মুখর পরিবেশে সবাই শারদীয় দূর্গাপূজা পালন করতে পেরেছে।
১নং সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নের প্রশাসক তানভীর হাসান মজুমদার বলেন শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে আমাদের একটাই লক্ষ ছিল যাতে করে এখানে কোন দুষ্কৃতিকারীরা কোন সমস্যা না করতে পারে সে বিষয়ে আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাদের খোঁজখবর রাখতে বলেছেন এবং ইউএনও মহোদয় স্যার সার্বক্ষণিক নিজেই তথ্য প্রধান করেছেন। এখানে শান্তিপূর্ণভাবেই পূজা উৎসব শেষ হয়েছে।
এ সময় বেতিল হালদার পাড়া শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শ্রী রতন চন্দ্র হালদার বলেন বিশেষ করে সেনাবাহিনী ও এনায়েতপুর থানার আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবছর খুব তৎপর ছিল জার কারণে এ বছর কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটনি এজন্য আমরা খুব উৎসব মুখর পরিবেশে আমাদের শারদীয় দূর্গাপূজা পালন করতে পেরেছি।
হিন্দু শাস্ত্র মতে দূর্গাদেবী গজে পৃথিবীতে এসেছিলেন সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় তিনি গত তিনদিন যাবত মানবজাতির জন্য ঘোড়ায় চড়ে গজে আসেন এবং গজে চড়ে তিনি কৈলাসে তার স্বামীর গৃহে ফিরে যান। আবারো ৩৬৫ দিন পর এই সময়টাতে দূর্গাদেবী মানবজাতির মঙ্গল কামনায় ধারদামে আসবেন বলে সনাতন ধর্মের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন।

Comments
No comments
Add a comment: