ষড়যন্ত্রের শিকার প্রিমিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবাল

সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম প্রমিয়ার ব্যাংক থেকে ২৮৭ কোটি উওোলনের একটি খরচ প্রকাশিত হয় যা উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন প্রিমিয়ার ব্যাংক এর সাবেক এমডি এইচ বি এম ইকবাল।
প্রকৃত পক্ষে সংবাদ টি সম্পূর্ণ মিথ্যা , বানোয়াট এবং ভিক্তিহীন। এই সংবাদের প্রকাশের মাদ্ধমে আমাদের স্বনামধন্য প্রিমিয়ার গ্রুপ অফ কোম্পানিজ এর সুনাম ক্ষুন্ন করা হয়েছে যার ফলশ্রুতিতে আমরা মনে করি ঘটনার সঠিক তথ্য প্রকাশ করা অত্যন্তজরুরি । প্রকৃত সত্য হলো প্রিমিয়ার গ্রুপ বিগত দীর্ঘদিন যাবৎ ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, ফার্স্ট সিক্যুইরিটি ইসলামী ব্যাঙ্ক এবং মার্কেন্টাইল ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে সুনামের সহিত ব্যবসা পরিচালনা করে আসতেছে। প্রতিটি ঋণ হিসাব সর্বদা নিয়ম মাফিক পরিচালনা করা হচ্ছে। বিগত ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে উক্ত ঋণ হিসাব ৩টির অনুকূলে ঋণ কিস্তি পরিশোধের জন্য প্রায় ২৮৭ কোটি টাকার পে -অর্ডার প্রিমিয়ার ব্যাঙ্ক বনানী শাখা থেকে ইস্যু করা হয়, কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ব্যাঙ্ক ৩টির সাথে সুদ আলোচনা চলমান থাকায় উক্ত পে অর্ডার গুলো গত ১৮/০৯/২০২৫ তারিখে উক্ত ঋণ একাউন্ট ৩ টি তে জমা প্রদান করা হয়| আরো উল্লেখ, সংবাদে যে ৩০০টি চেকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো প্রকৃতপক্ষে ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত পে অর্ডার যা ৩টি ব্যাংক এর লোন হিসাবে লোনের কিস্তি জমা দেয়া হয়েছিল এখানে অর্থ উত্তোলনের কোনো ঘটনা ঘটার সংবাদ টি সম্পূর্ণ ভিক্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে আমরা ৩টি ঋণ হিসাবে অর্থ জমা করি কিন্তু সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে আমরা অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করি যা সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী একটি ভিক্তিহীন সংবাদ।
প্রিমিয়ার ব্যাংক দীর্ঘদিন দেশের স্বার্থে এবং কল্যানে কাজ করেছেন বতমানে ব্যাংকটি ষড়যন্ত্রের শিকার এবং এই ব্যাংকটিকে নিয়ে কয়েকটি গ্রুপ প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন প্রমিয়ার ব্যাংকের সাবেক এমডি এইচ বি এম ইকবাল।

Comments
No comments
Add a comment: