লালমনিরহাটে শীতে বাড়ছে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা।

লালমনিরহাটে ৫ টি উপজেলায় সূর্যের মুখ দেখা নেই ।
শীতের তীব্রতার সঙ্গে বেড়েই চলছে ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্ট সেই সাথে ঘন কুয়াশা ও তীব্র ঠান্ডায় বেশির ভাগই আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা ইতিমধ্যে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল সহ আদিতমারী, কালিগঞ্জ হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলায় গত ১৭ দিনে প্রায় ৪ শতাধিক ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্ট রোগী ভর্তি হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রুগী বহিঃবিভাগের চিকিৎসা নিয়েছেন আরো প্রায় ১ হাজার । এছাড়াও অনেকে বিভিন্ন ইউনিয়ন গ্রাম অঞ্চলের স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলোতে এবং বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসকদের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ পত্র ছাড়াও ঔষধ এর দোকানগুলোতে ভীর লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডায়রিয়া রোগের চাপ সামলাতেও হিমশিম খাচ্ছেন। ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ড না থাকায় রোগীদের মেজেও বারান্দায় বিছানা পেতে থাকতে হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে গত পহেলা জানুয়ারি থেকে ২০ই জানুয়ারি পর্যন্ত ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছে প্রায় এক হাজার।
এসব রোগীর মধ্যে শিশুর সংখ্যায় বেশি। অনেকে আবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।অনেকেই আবার নতুন করে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিদিন হাসপাতাল ছাড়ছে ৫০থেকে ৬০ জন প্রতিদিন প্রত্যেক হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০জন।
বিভিন্ন উপজেলার রোগীরা নিজ নিজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ এসে ভর্তি হচ্ছে। এদের মধ্যে তীব্র ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত জাকারিয়া ইসলাম গ্রাম বাসিনটারী আদিতমারী শিশু জাকারিয়ার মা জান্নাতী বেগম বলেন শীতের কারণে আমার ছেলের এই অবস্থা। সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা জনক অবস্থায় রয়েছেন শাহিনুর আলমের তিন সন্তান সিনহা রাইয়ান নাইমা।
তিন সন্তানের জনক শাহিনুর ইসলাম বলেন গত দুইদিন থেকে বাচ্চাদের অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে। লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ডাক্তাররা বলছেন তাদের সাধ্যমত চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আদিতমারী হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ফারহানা সরকার বলেন ঠান্ডা জনিত কারণে ডায়রিয়া ও বমি রোগের সংখ্যা বেশি।
হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার বিক্রমচন্দ্র রায়ের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন গত বছরের তুলনায় এবছর ঠান্ডা বেশি হওয়ায় ঠান্ডা জনিত কারণে শিশু বাচ্চাদের ডায়রিয়া বমি ও পাতলা পায়খানা বেশি হচ্ছে যাদের অবস্থা বেশি গুরুতর তাদেরকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হচ্ছে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে সিভিল সার্জন বলে আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যথাসাধ্য চেষ্টা করছি এবং চিকিৎসা প্রদান ও পরামর্শ প্রদানের সহযোগিতা করছি।

Comments
No comments
Add a comment: