মকবুল চাচার হোটেলে ১৫০টাকায় পেটচুক্তি খাবার!
১ঘণ্টা ১০মিনিটের মধ্যে যদি কেউ ১৫০টাকার বিনিময়ে তিন প্লেট ভাত খেতে পারেন তার জন্য ওই তিন প্লেটের ভাতের টাকা নেওয়া হয় না। উল্টো তার জন্য আরও ফ্রি খাবার থাকবে। সঙ্গে থাকবে এক গ্লাস দুধ, এক গ্লাস দই, একটা কোল্ড ড্রিংকস। এছাড়াও ওই ব্যক্তির জন্য শার্টের পিচ কেনার জন্য থাকবে ৮৫০টাকা। লবণ দিয়েও ভাত খেলে ১৫০টাকা আবার মাছ, মাংস, ডিম দিয়ে খেলেও ১৫০টাকা।
কথাগুলো বলছিলেন চাচার হোটেলের মালিক মকবুল হোসেন। তিনি প্রায় ২৬বছর ধরে ভাতের হোটেলের ব্যবসা করে আসছেন। আর এই ১৫০টাকার বিনিময়ে পেট চুক্তি খাবারের নিয়মটা চালু রেখেছেন। সরেজমিনে রংপুরের পীরগাছায় কৈকুড়ী ইউনিয়নের চৌধুরাণী রোড বকশির দীঘি বাজারে চাচার হোটেলে গিয়ে দেখা গেছে এমন দৃশ্য! সেখানে দেখা গেছে চাচার হোটেলটি টিনশেডের ঘর হলেও বেশ পরিপাটি ও সাজানো গোছানো। টেবিলে দেখা গেছে কয়েক ধরনের সবজির তরকারি, বাহারি ভর্তা, সালাদ ও বিরিয়ানি পসরা সাজানো। সাদা ভাত দেয়ার আগে তাকে প্রথমে বিরিয়ানি খেতে দেয়া হয়। প্রথমে দেখে মনে হবে এ যেন বিয়ের বাড়ির খাবারের আয়োজন। নিউজটি দেখতে: এখানে ক্লিক করুন।

চাচার হোটেলের মালিক মকবুল হোসেন আরও জানান, তারা সীমিত লাভে ভাতের ব্যবসা করে থাকে। ৫০হাজার টাকা বেচলে এক থেকে দেড় হাজার টাকা লাভ হয়। আবার কোনদিন লসও হয়। প্রতিদিন ২থেকে আড়াই মণ চালের ভাত বেচতে পারেন বলে তিনি জানান। তার এই খাবার খেতে দিনাজপুর, পার্বতীপুর, ডিমলা, উলিপুর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, শঠিবাড়ী, জায়গীরহাট, বগুড়া সহ দুরদুরান্ত থেকে মানুষ গাড়ি ভাড়া করে আসেন। হোটেল খোলা হয় রাত ২টা ১০মিনিটে ও বন্ধ করা হয় বিকেল ৪টা ১০মিনিটে। এই সময়ের আগে বা পরে কেউ আসলে তাকে আর খাবার দেয়া হয়না। ভাতের ব্যবসায় লস সম্পর্কে মকবুল হোসেনের স্ত্রী তহিরন বেগমকে বললে, তিনি জানান লস আর কি বাবা! কোন রকম খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে চাই। আমাদের বেশি লাভের দরকার নেই। বামনডাঙ্গা থেকে আসা আকতারুল ইসলাম ও সুন্দরগঞ্জ থেকে আসা হোসেন আলী জানান, তারা চাচার হোটেলে প্রায় প্রায় খাবার খেতে আসেন। ১৫০টাকায় ইচ্ছেমতো খাবার খাওয়া যায়। খাবারের স্বাদের ভিন্নতাও রয়েছে।
নিউজটি দেখতে: এখানে ক্লিক করুন।

Comments
Md. Akramul Islam
ভিডিও নিউজটি অনেকে ডাউনলোড করে শেয়ার দিয়েছে তা না হলে আরো ভিউ হতো!
মো: ইসমাইল হোসাইন
সুন্দর
Add a comment: