ভোলায় নকশী কাঁথা সেলাই করে ভাগ্য বদল সেলিনা আক্তারের

নকশী কাঁথা সেলাই করে ভাগ্য বদলেছে ভোলা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের বড়মিয়া বাড়ির বাসিন্দা সেলিনা আক্তারের। একসময়ের অভাবের সংরের হাল ধরতেই শুরু করেন সেলাই কাজ। আর সেই সেলাই কাজে বদলাতে থাকে তার ভাগ্য।
অসহায় থেকে সহায় এ যেনো ফোটানো রঙিন সপ্ন। দুই মেয়ে ও স্বামী নিয়ে অসহায় ছিলেন ভোলার মেয়ে সেলিনা আক্তার। দিশেহারা হয়ে যান সংসারের অভাব অনটন দেখে। দিনে দিনে চিন্তার অস্থির হয়ে ওঠে সে। সেলিনার স্বামী যা আয় করে তা দিয়ে সংসার চালাতে খুব কষ্ট হয়ে যেতো।
বর্তমানে সেলিনা আক্তারের নকশীকাঁথা সেলাই কারখানায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন নারীর কর্মসংস্থান হয়েছে। ভাগ্য বদলাতে শুরু করছে তাদেরও। এলাকাবাসী ও সেলিনার নকশীকাঁথা সেলাই কারখানায় কর্মরত নারী শ্রমিকরা বলেল,সংসার চালাতে স্বামীকে কিছু আর্থিক সাহায্য করি। ছেলেমেয়েদের লেখা পড়ার খরচ ও চালাতে পারি। এই নকশীকাঁথা কাজ করে। আমরা বাড়ীতে থেকে এ কাজ করতে পারি আমাদের অন্য কোথায় ও যেতে হয় না।

ভোলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা,মোঃ ইকবাল হোসেন এ বিষয়ে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বলেন, সেলিনা আক্তারের মত উদ্যোক্তা আমাদের দেশের গর্ব। আমরা চাই তার দেখাদেখি অন্যরাও যাতে এ ধরনের উদ্যেগ নিতে পারে।
এবিষয়ে আরো জানান,ভোলা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার, চামেলী বেগম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দশটি উদ্যোগের মধ্যে একটি হলো নারীর ক্ষমতায়ন।আমাদের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে নারীদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্যক্রাম পরিচালনা করা হয়ে থাকে ।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর নারীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষন এর ব্যবস্থা করা হয়।সেলিনা বেগম একজন নারী উদ্যোগতা। সে সেলাইয়ের কাজ শিখে মাত্র ২০ হাজার টাকা নিযে ব্যবসা শুরু করে। এখন ৪০/৫০ জন নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন । সেলিনা বেগম এর সাথে আমি যোগাযোগ করেছি। জয়ীতা সম্মাননার জন্য আবেদন করতে বলেছি। আমরা এইসব উদ্যোগতাদের জন্য আমাদের সল্প লাভে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থ রয়েছে।

Comments
No comments
Add a comment: