বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক তালিকা প্রকাশ নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১ দফা দাবিতে ৫ অগাস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা।
এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত আসে।ঘোষিত কর্মসূচিকে ঘিরে গতকাল ৭ অগাস্ট কক্সবাজার শহর'সহ উখিয়াতেও শিক্ষার্থীদের বেশ সক্রিয় দেখা যায়। দিনভর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও যানযট নিরসনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। কর্মসূচির ক্লান্তি কাটতে না কাটতেই বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ বেশকিছু ফেসবুক আইডিতে ২৪ জন সদস্য বিশিষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন উখিয়া সমন্বয় পরিষদ নামের একটি কমিটির দেখা মিলে। সেই কমিটিকে ঘিরে শুরু হয় নানা আলোচনা সমালোচনা। সাধারণ শিক্ষার্থীরা মন্তব্য করেন, এমন কমিটির জন্য আমরা ছাত্ররা জীবন বিলিয়ে দিয়ে এই দেশকে ২য় বার স্বাধীন করিনি। ছাত্রদের মাঝে কোনো সংগঠন বা কমিটি থাকবেনা। এমন কমিটিকে বয়কট করলাম।
একই ইস্যু'কে উখিয়ার শিক্ষার্থী সাজেদু মোবারক সাজেদ বলেন, প্রথম থেকে দেখেছি এই উখিয়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। সবাই সবার মতো করে আন্দোলনে সাড়া দিয়েছিলেন। আমরা দেখেছিলাম আন্দোলন চলাকালীন কোনো সমন্বয়ক ছিল না বা নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কেউ ছিল না। সবাই যার যার অবস্থান থেকে মাঠে নেমেছিল। সবাই এই আন্দোলনকে ২ বারের মতো সফল ভাবে সম্পন্ন করেছে। যেদিন সরকার পদত্যাগ করলো সেদিন থেকে উখিয়াতে দল ভিক্তিক পায়দা লুটাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো। সবাই নিজ নিজ রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষার্থে বিভোর। আজ ৭ তারিখ রাত ৮টায় বিভিন্ন সংবাদ চ্যানেলে সমন্বয়কদের কমিটি ঘোষণা করা হয় যা সম্পুর্ণ বানোয়াট বা মিথ্যা। কারণ উখিয়া উপজেলায় কোনো সমন্বয়ক ছিল না। এটা গুজব আপনারা এসব গোজব থেকে দুরে থাকবেন। এসব রাজনৈতিক দলের স্বার্থ হাসিল করার জন্য ছাত্রদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করতেছে। আমরা ছাত্ররা কোনো কমিটি চাই না। এই কমিটিকে বয়কট করলাম।
এই কমিটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানা আলোচনা সমালোচনার স্ট্যাটাস আর মন্তব্যের যেন শেষ নেই।

Comments
No comments
Add a comment: