পাখিদের কলকাকলিতে মুখর ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা ভুমি অফিস চত্তর সহ আশেপাশের এলাকা

প্রবাদ আছে বন্যেরা বনেই সুন্দর আর শিশুরা মাতৃ কোড়ে। কিন্তু সে বনের শত শত পাখি ঘর বেধেছে।
শত শত বক আর পানকৌড়িদের কলকাকলিতে মুখর ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ভুমি অফিস চত্তর সহ আশেপাশের এলাকা। পাখিদের স্থায়ী এ অবাদ বিচরন স্থানীয়দের মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃস্টি করেছে। সাড়া বছরই পাখিগুলো এখানে অবস্থান করছে। দিনে দিনে বিস্তৃত করছে তাদের বসতি।ইতোমধ্যেই পাখিরা দখল করে নিয়েছে উপজেলার বেশকিছু এলাকা। নির্ভয়ে পাখিগুলো প্রায় দুই যুগ ধরে স্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছে বলে জানালেন স্থানীয়রা। পাখীদের এ অবাদ বিচরনে মুগ্ধ করেছে এলাকার বাসিন্দাদের ।
পাখিদের কলকাকলিতে স্থানীয়দের ঘুম ভাঙ্গে। ব্যাস্ততম সড়কের উপড়ের বিশাল আয়তনের গাছ জুড়ে পাখিদের বসবাস। চলাচলকারীদের গায়ে পাখিদের মল পড়লেও তারা বিন্ধু মাত্র অপ্রস্তুত হন না , তারা আনন্দের সাথেই তা মেনে নেন। দুর দুরান্ত থেকে আসছে উৎফুল্ল্য মানুষ পাখিদের কলকাকলি উপভোগ করতে। ভীড় করছে পাখি প্রেমিকরাও। কেউ ছবি তুলে নিচ্ছে আপন মনে। পাখিরাও যেন মানুষের প্রতিবেশি হয়ে বছরের পর বছর তাদের নিরাপদ আবাস গড়ে তুলেছে এখানে। এ যেন এক অন্যরকম উপলব্দি। মন যেন জুড়িয়ে যায়। এমন জনবহুল এলাকায় পাখিদের নিরাপদ আবাস স্থল অবাক করার মতো।

স্থানীয় লোকজন জানান,প্রায় একযুগ এর ও বেশি সময় ধরে আমরা দেখি বোরহানউদ্দিন উপজেলা ভুমি অফিস ও আশপাশের বিভিন্ন গাছে পাখিদের বসবাস। এ পাখিগুলো দেখতে আমাদের খুব ভালো লাগে।আমরা আমাদের ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে আসি এই পাখিগুলো দেখতে। বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,মোঃ রায়হান-উজ্জামান বলেন, পাখি হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অনেক গুরুত্বপূনর্ একটি উপাদান। আমরা যদি খাদ্য শৃঙ্খলা রক্ষা করতে পারি তাহলে কিন্ত প্রকৃতি সুন্দর হয়ে উঠে । এখানে পাখিদের অভাশ্রম করে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মক্ত রাখার ব্যবস্থা করা হবে।
এবিষয়ে বোরহানউদ্দিন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল হাসান বলেন,এখানে যে সকল পাখি এসে বসে সেগুলো মুলত দেশীয় প্রজাতির পাখি। এখানে আমরা তাদের বাসা তৈরির ক্ষেএে কিছু সহযোগিতা করেছি দেশীয় মাটির পাএ দিয়ে। এখানে পাখি গুলোর অবাধ বিচরণের সুযোগ রয়েছে । এখানে পাখি গুলোকে অবাধ বিচরণে কেউ বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। সকলে পাখি গুলোকে অতিথি হিসেবে গ্রহন করেছে।

Comments
No comments
Add a comment: