পাইকগাছায় অবশেষে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জাকিরুল জেল হাজতে

দীর্ঘ দিন প্রেম, গোপনে বিয়ে অতঃপর স্বামী স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ ম্যাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়। একতরফা বিবাহ বিচ্ছেদের পর আবার গোপন ছবি সামাজিক যোগাযোগ ম্যাধ্যমে ছেড়ে দিয়ে দীর্ঘ দিন পালিয়ে থাকার পর অবশেষে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আটক হয়ে জেল হাজতে জাকিরুল ইসলাম।
মামলা সূত্র জানাগেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউপির গদাইপুর গ্রামের আসমা বেগম (ছব্দ নাম) নামে জৈনক মহিলার নতুন বাজারে কসমেটিকস এর দোকান। ২০২০ সালের দিকে তোকিয়া গ্রামের করিম গাজীর ছেলে জাকিরুলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ০৬/১২/২০২০ তারিখ নোটারী পাবলিক কার্যালয় খুলনার মাধ্যমে বিবাহ হয়। বিয়ের পর হতে আসমার (ছব্দ নাম) পিতার বাড়ি ও পুরাইকাটী গ্রামের তার খালুর বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে স্বামী-স্ত্রী রুপে মেলামেশা করতে থাকে। জাকিরুল চাকরি পেয়ে বাড়িতে উঠবে বলে আসমা (ছব্দ নাম)কে আশ্বস্ত করতে থাকে। স্ত্রীর ব2494;ঁধা উপেক্ষা করে মোবাইলে স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ভিডিও করে জাকিরুল। জাকিরুল অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ ম্যাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে স্ত্রীর নিকট থেকে অর্থ আদায় করে পালিয়ে থাকে। উপায়ন্ত না পেয়ে আসমা বেগম (ছব্দ নাম) স্ত্রীর দাবী নিয়ে জাকিরুলের বাড়িতে উঠে বসে। জাকিরুল পালিয়ে থেকে ১৬/০৯/২০২১ ইং তারিখে ডিভোর্স পাঠায়। দীর্ঘ দিন খুজে না পেয়ে গত ১৫/১২/২০২২ ইং তারিখে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে। গত ২৯ ডিসেম্বর এস আই তাকবির পাইকগাছার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক বূথের সামনে থেকে দুপুর ৩টার দিকে আটক করে। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে ৪ ও ৫ জানুয়ারি রিমান্ডে এনে জিঙ্গাসাবাদ শেষ করে পুনরায় জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।
এ বিষয়ে পাইকগাছা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জাকিরুলকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে রিমান্ড আবেদন করা হয়। রিমান্ড মঞ্জুর হয়।রিমান্ড শেষে তাকে পুনরায় জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Comments
No comments
Add a comment: