নড়াইলে ফ্রিল্যান্সার জুয়েলের বাড়িতে জার্মানি ক্লায়েন্ট মার্টিন।

ধীরে ধীরে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাদের। বিনিময় হয় দুই দেশের মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন তথ্যের। একপর্যায়ে ভালোলাগা থেকে জীবনে প্রথমবারের মত এশিয়ার কোন দেশ হিসেবে বাংলাদেশে আসেন মার্টিন। বাংলার রুপ আর বাঙালির আতিথেয়তায় প্রসংশায় পঞ্চমুখ এই ভিনদেশী, ফের সুযোগ পেলেই আসতে চান সবুজ-শ্যামল এই বাংলায়।
বাংলাদেশে আসার কারণ হিসেবে মার্টিন বলেন, তিনি এসেছেন তার বন্ধুর পরিবারের সাথে দেখা করতে, বাংলাদেশকে ঘুরে দেখতে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে। গত ৪-৫ দিন বাংলাদেশে ঘুরে তার মনে হয়েছে এদেশের মানুষ খুবই সুন্দর। বাংলাদেশের মানুষের আতিথেয়তা অসাধারণ। এমনটা আমি কখনও দেখিনি। প্রত্যেকে আমাকে দাওয়াত দিচ্ছে।
মার্টিন আরও বলেন, এদেশের সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা আমার ভালো লেগেছে তা হচ্ছে প্রকৃতি। আমি প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই উপভোগ করছি।
এদিকে মার্টিনকে কাছে পেয়ে আনন্দের শেষ নেই জুয়েলের পরিবারের। দেশীয় খাবারের সমাহারে ভিনদেশী অতিথিকে আপ্যায়ন করতে ব্যস্ত পরিবারের সদস্যরা। আর বিভিন্ন স্থানে মার্কিন ক্লায়েন্টকে নিয়ে ঘুরতে ব্যস্ত জুয়েল।
জুয়েল বলেন, ফ্রিল্যান্সার হিসাবে অনেক ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করা হয়। সম্পর্ক তো সবার সাথে ভালো হয় না। ওনার (মার্টিন) সাথে আমার সম্পর্কটা ভালো। একপর্যায়ে আমি তাকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানাই। তিনি রাজি হন। তবে তার পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশে আসতে দিতে চাচ্ছিলো না। পরে তাদেরকে বোঝাতে সক্ষম হয়। এটা ওনার এশিয়ার প্রথম ভিজিট। সে এসে মুগ্ধ, আমরা পরিবারের সবাই খুশি৷
জুয়েলের বাবা মনিরুজ্জামান বলেন, আমার ছেলের আমন্ত্রণে মার্টিন এসেছেন আমাদের বাড়িতে। এখানে আসতে পেরে উনি খুবই আনন্দিত, আমরাও আনন্দিত।
মার্টিনকে দেখতে আসা নাসিম সিকদার রাজ বলেন, মার্টিন আমাদের দেশে এসে খুবই খুশি এবং সেভ বোধ করছন। এটা নিয়ে আমরা গর্বিত। ফ্রিল্যান্সারা এভাবে বাংলাদেশের জন্য সুখবর বয়ে আনুক।

Comments
No comments
Add a comment: