নোয়াখালীতে সিএনজি চালককে বিদেশ নেওয়া নামে প্রতারণা ও মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

নোয়াখালী সুধারমের দৌলতপুর গ্রামে সিএনজি চালক আবুল কাশেমকে বিদেশ নেওয়া নামে প্রতারণা, বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা ও মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
হেবা দলিলের কাগজ দেখিয়ে তার বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা ও তাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে জানান, ভুক্তভোগি সিএনজি চালক আবুল কাশেম। তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং হয়রানির স্বিকার হচ্ছেন বলে জানান এলাকাবাসী। আপন দুলাভাই আলি করিম ও বোন নুরজাহনের কবলে পড়ে হয়রানি স্বিকার হচ্ছেন সিএনসি চালক।
তারা তাকে সৌদি আরব নেওয়ার জন্য ৯ ডিং সম্পত্তি হেবা ঘোষনা করে নেন। স্ট্যাম্পে চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিল সৌদী আরব গিয়ে রোজগার করে ২য় পক্ষ আলী করিমদের দেনা টাকা পরিশোধ করবে। কিন্তু ২য় পক্ষ আলী করিমও নুর জাহানের দেওয়া ভিসায় সৌদিতে পাঠান কাশেমকে । কাশেম বিমান বন্দরে গিয়ে পৌছলে ইমিগ্রেশনে কাগজপত্র জটিলতা ও সঠিক না থাকায় দুই দিন জেল খেটে নিজ দেশে পেরত আসেন আবুল কাশেম। বোন ও ভগ্নিপতির ভিসা ও কাজগ পত্রে জটিলতার ও হয়রানির স্বিকার হয়ে এলাকাবাসীকে বিষয়টি জানান। এই নিয়ে বোন ও ভগ্নিপতির সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। চলে দুই পক্ষে মামলা পাল্টা মামলা। এবং তার হেবা ঘোষনা কাগজ ফেরত দাবি করেন কাশেম।
পরে সিএনজি চালক কাশেমের হেবা করে দেওয়া স্ট্যাম্প ফেরত না দিয়ে ৯ শতাংশ সম্পত্তি হেবা রেজিষ্ট্রি করে নেন। এই নিয়ে প্রতিবাদ করলে কাশেম কে মারধর করা হয় এবং তার বশতবাড়ির গাছ কেটে নিয়ে যায়। এই নিয়ে চলে মামলা ।
এই বিষয়ে স্থানিয়রা সত্যতা স্বিকার করে বলেন, সিএনসি চালক আবুল কাশেম খুব গরিব লোক, অনেক গুলো ছেলে মেয়ে নিয়ে কষ্টে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। এই বসতভিটা তার একমাত্র শেষ সম্বল। সে তার বোন ও ভগ্নিপতির ভিসা জটিলতার কারনে প্রতারণার স্বিকার হয়েছেন।
তারা বিদেশ নেওয়া নামে তার শেষ সম্বলটুকু হেবা দলিলের নামে দখলের চেষ্টা করছে। তার বোন ও ভগ্নিপতি অনেক বড়লোক হলেও তাকে সহযোগিতা না করে উল্টো মামলা দিয়ে হয়রানি করছে ।
এই বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার চেষ্টা করেও আলী করিমও নুর জাহানকে পাওয়া যায়নি।এই জন্য তাদের মতামত দেওয়া সম্ভব্য হয়নি। অসহায় সিএনজি চালক কাশেম প্রশাসন ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করছেন।

Comments
No comments
Add a comment: