তাকওয়া অর্জনের ৭ উপায়
তাকওয়া মানে সতর্ক ও সচেতন থাকা। বান্দা সতর্ক থাকবে কিছুতেই যেন গুনাহের কাজ সংঘটিত না হয়; আর নেক আমল কিছুতেই যেন না ছোটে। হজরত ওমর ফারুক (রা.) উবাই ইবনে কাব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, তাকওয়া কী? উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, আপনি কি কখনও কাঁটা বিছানো পথে হেঁটেছেন? ওমর (রা.) বললেন, হ্যাঁ।
উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, কাঁটা বিছানো পথে আপনি কীভাবে হেঁটেছেন? ওমর (রা.) বলেন, সতর্ক-সচেতনতার সঙ্গে যাতে আমার শরীরে কাঁটা না বিঁধে। উবাই ইবনে কাব (রা.) বললেন, এটাই হচ্ছে তাকওয়া। কাঁটাযুক্ত পথে কাঁটা থেকে বাঁচার জন্য মানুষ যেভাবে সতর্ক হয়ে চলে, ঠিক সেভাবে আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর নিষিদ্ধ বিধানগুলো থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার পাওয়ার আশায় নেক আমল করার নামই হলো তাকওয়া।
তাকওয়া মানে সতর্ক ও সচেতন থাকা। বান্দা সতর্ক থাকবে কিছুতেই যেন গুনাহের কাজ সংঘটিত না হয়; আর নেক আমল কিছুতেই যেন না ছোটে। হজরত ওমর ফারুক (রা.) উবাই ইবনে কাব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, তাকওয়া কী? উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, আপনি কি কখনও কাঁটা বিছানো পথে হেঁটেছেন? ওমর (রা.) বললেন, হ্যাঁ। উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, কাঁটা বিছানো পথে আপনি কীভাবে হেঁটেছেন? ওমর (রা.) বলেন, সতর্ক-সচেতনতার সঙ্গে যাতে আমার শরীরে কাঁটা না বিঁধে। উবাই ইবনে কাব (রা.) বললেন, এটাই হচ্ছে তাকওয়া।
কাঁটাযুক্ত পথে কাঁটা থেকে বাঁচার জন্য মানুষ যেভাবে সতর্ক হয়ে চলে, ঠিক সেভাবে আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর নিষিদ্ধ বিধানগুলো থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার পাওয়ার আশায় নেক আমল করার নামই হলো তাকওয়া।যেসব আমলের মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন করা সহজ হয়, পবিত্র কোরআনের আলোকে সে বিষয়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো—

আল্লাহ তাআলার ইবাদতের মাধ্যমে অন্তরে তাকওয়া সৃষ্টি হয়, চাই সেটা ফরজ ইবাদত হোক কিংবা নফল। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো। যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে এবং তোমাদের আগে যারা ছিল, তাদেরকে। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো। (সুরা বাকারা: ২১)
আল্লাহ তাআলার ইবাদতের মাধ্যমে অন্তরে তাকওয়া সৃষ্টি হয়, চাই সেটা ফরজ ইবাদত হোক কিংবা নফল। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো। যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে এবং তোমাদের আগে যারা ছিল, তাদেরকে। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমরা সুবিচার করো। কেননা তা তাকওয়ার নিকটবর্তী।’ (সুরা মায়িদা: ৮)

আমরা যদি তাকওয়ার পথে চলতে পারি, তা হলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বিশাল পুরস্কার দেবেন। মুত্তাকিদের জন্য দুনিয়া-আখেরাতে আনন্দ এবং স্বাচ্ছন্দ্যের জীবন উপহার প্রদান করবেন তিনি। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া অর্জন করেছে তাদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ দুনিয়া এবং আখেরাতে।(সুরা তালাক: ২-৩)। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাকওয়া-পরহেজগারির জীবন অবলম্বনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Comments
No comments
Add a comment: