জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মান।

শনিবার এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা উপলক্ষে নীলফামারী জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত অবস্থায় দেখা গেলেও সৈয়দপুরে ছমির উদ্দিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন।
জাতীয় পতাকা উত্তোলনতো দুরের কথা, পতাকা রেখেছে টয়লেটের দরজায়। যা দেখলেই মনে হয় টয়লেটের পর্দা। শনিবার ওই প্রতিষ্ঠানের তিনটি শূন্য পদে নিয়োগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে ডিজির প্রতিনিধি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম প্রামানিক ও প্রতিষ্টানের সভাপতি জাতীয় পার্টির সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন। এইসব দৃশ্য দেখে সাধারণ মানুষের হট্রগোল শুরু হয়। এসময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাধারণ জনতা ও সাংবাদিকদের কাছে তোপের মুখে পরেন।
প্রতিষ্ঠান প্রধান পুনিল চন্দ্র দাস দায় সারা কথা বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন রাষ্ট্রীয় শোক পালনের বিষয় আমি কিছুই জানিনা, এমনকি চিঠিও পাইনি। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি জয়নাল আবেদীনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান এবং শটকে পড়েন। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, আমি এসেছি ঠিকই কিন্তু লক্ষ করি নাই, তবে পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দিয়েছি। পতাকা অবমাননা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মুঠো ফোনের সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল রায়হান বলেন, যেখানে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকে সেখানে এত বড় ভুল কিভাবে হতে পারে। তিনি বলেন সরকারি আদেশ অমান্য করার সামিল বিষয়টা ইনভেস্টিগেশন হবে ইনভেস্টিগেশনের পর প্রমান পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Comments
No comments
Add a comment: