আদিতমারীতে দৈনিক ভোরের কাগজের সাংবাদিক লাঞ্ছিত

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র/ ছাত্রীদের ২০২৪ সালে পাঠ্যপুস্তক শিক্ষকদের কাছে বিতরণ করা সময়ে ভিডিও ধারণ করা কালীন স্থানীয় এক সংবাদ কর্মীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং লাঞ্ছিত করে। জানাযায় আদিতমারী উপজেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা অফিসার মুকুল চন্দ্র কৃর্তক দৈনিক ভোরের কাগজ সাংবাদিক রবিউল ইসলাম বাবুল কে লাঞ্ছিত করার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর দুপুর ১ টার দিকে আদিতমারী উপজেলার শিক্ষা অফিসের সামনে পুকুর পারে বইয়ের গোডাউনের সামনে এই ঘটনাটি ঘটেছে।খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে দৈনিক ভোরের কাগজ ও রংপুর সংবাদের লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম বাবুল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বই আগাম শিক্ষকদের মাঝে দেয়ার নিউজ করার জন্য সেখানে যান। গিয়ে দেখেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক,কোন কোন স্কুলের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী স্ব-স্ব স্কুলের বই নেয়ার জন্য সেখানে এসেছেন। সংবাদ কর্মী দেখতে পান দুইজন শিক্ষক এর কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন সহকারী শিক্ষা অফিসার মুকুল কুমার রায়। সাংবাদিক টাকা নেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে টাকা দেয়ার জন্য প্রস্তুুত ব্যাক্তিগণ বলেন, আমি শিক্ষক না আমি স্কুলের পিয়ন ম্যাডাম আমাকে পাঠিয়েছেন পরে তিনি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মুকুল চন্দ কে এই বিষয়ে কিছু বলার জন্য বক্তব্য নিতে চায় সংবাদ কর্মী তিনি কিছু বলতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এক পর্যায়ে সাংবাদিক ভিডিও 53;রতে চাইলে জোর পূর্বক তার ভিডিও করা মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সাংবাদিক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় । উক্ত ঘটনার বিষয়টি লালমনিরহাট জেলা স্কাউট এর সাধারণ সম্পাদক জানতে পেরে মুঠোফোনে দৈনিক ভোরের কাগজের সাংবাদিকের কাছে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেন ও স্কাউট এর নামে চাঁদা নেয়া বন্ধের নির্দেশ দেন।
পরে সাংবাদিক আবারও ভিডিও ধারণ করা সময় আদিতমারী উপজেলা স্কাউট এর সহ-সম্পাদক শ্রী জগদিস চন্দ্র ভিডিও সাক্ষাতকারে রেগে বলেন আমাকে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুমোতি দিয়েছে জেলা প্রসাশক (ডি,সি) স্যার বলেছে এই দেখুন আমার কাছে রশিদ আছে, আমরাতো কোন অন্যায় করছি না বা ঘুষ নিচ্ছিনা। সেখানে থাকা এক শিক্ষক বলেন, আপনারা কিসের টাকা নিচ্ছেন সেটি সাংবাদিক কে পরিস্কার করে বললেতো তিনি সব বুঝতে পারেন আপনারা সকলের কাছে টাকাও নিচ্ছেন আবার বলতে চাচ্ছেন না এটা কি ঠিক হচ্ছে, আপনাদের কিসের টাকা নিচ্ছেন সাংবাদিক সে বিষয় জানতে চাইতে পারে কিন্তুু আপনারা কেউ মুখ খুলছেন না কেন ? এটা কেমন কথা এ বলে তিনি জগদিস চন্দ্রের কে উদ্দেশ্য করে কথা গুলো বলেন।
উক্ত ঘটনায় প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের সাধারণ সম্পাদক সহ বেশ কিছু অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক,উক্ত ঘটনার বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বিষটি দেখবেন বলে সাংবাদিক কে আশ্বাস প্রদান করেন। এই ঘটনায় সত্যতা বিষয়ে জানতে আদিতমারী উপজেলা শিক্ষা অফিসের মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। এই ব্যাপারে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জি,আর সারয়ার বলেন এ বিষয়ে শিক্ষা অফিস থেকে আমাকে কোন চিঠি দেয়নি আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা তাই এঘট

Comments
No comments
Add a comment: