ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তপন কারাগারে

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ফেনী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার মজুমদার তপনকে দুই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
রোববার (১০ আগস্ট) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি ফেনীর মহিপালে গত বছরের ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর গুলি বর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা দুই হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। খায়রুল বাশার মজুমদার তপন ফেনীর পরশুরাম উপজেলার ধনিকুন্ডা গ্রামের আবুল বশরের ছেলে। তিনি ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ফেনী জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে ফেনী জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ২০২২ সালের ২৮ এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পুলিশ দৈনিক সংবাদ সারাবেলাকে জানায়, গোপন সংবাদú3;র ভিত্তিতে গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর শান্তিনগর এলাকার একটি আবাসিক বাড়ি থেকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা খায়রুল বাশার তপনকে আটক করে। রোববার তাকে ফেনীতে এনে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার খায়রুল বাশার তপন ফেনী মডেল থানায় দায়েরকৃত ছাত্র হত্যার দুই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। উল্লেখ্য যে, গত বছরের ৪ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর মহিপালে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার উপর আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র গুলি নিক্ষেপের ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়। ওই দিনের ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় ১৫ জন আহত ও ৭ জনের হত্যা মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এসব মামলায় ২ হাজার ১৯৯ জন এজাহারনামীয় এবং ৪ হাজার অজ্ঞাত আসামি করা রয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজারের বেশি আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ১১ জন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ইতোমধ্যে একটি মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

Comments
No comments
Add a comment: