হৃত্বিক রোশনের অনুপ্রেরণায় মডেলিং, অভিনয় ও ফিটনেসের পথে নতুন প্রজন্মের তারকা"--রাগীব ইয়াসার
ছোটবেলায় হৃত্বিক রোশনের কৃষ মুভি দেখে সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন জাগে তার মনে।
মানুষের সাহায্য করার ইচ্ছা থেকেই ধীরে ধীরে অভিনয় ও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রতি গভীর ভালোবাসা জন্মায়। নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন তিনি, কারণ মা-বাবা দুজনেই তার পাশে আছেন সবসময়। শুটিং হোক বা অভিনয়ের যেকোনো কাজে, পরিবারের সহযোগিতা ও উৎসাহ তার সাফল্যের মূল ভিত্তি।

মিডিয়ায় যাত্রা শুরু হয় এ বছর, ফেসবুকে দীপ্ত স্টার হান্টের অডিশন বিজ্ঞাপন দেখে আবেদন করেন তিনি। আল্লাহর রহমতে শোতে দুর্দান্ত পারফরম করে টপ ১৬-তে জায়গা করে নেন। অভিনয়ে প্রথম হাতে খড়ি হয় দীপ্ত টিভির হাত ধরেই। তার কাছে সবচেয়ে বিশেষ অভিজ্ঞতা ছিল দীপ্ত স্টার হান্টের টপ ২০ থেকে টপ ১৬-এ ওঠার রাউন্ড, যেখানে বিচারক ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। প্রিয় অভিনেতাকে সামনে পাওয়াটা যেমন বিশেষ ছিল, তেমনি ছিল চ্যালেঞ্জিং।
হৃত্বিক রোশনের মতো বডি গড়ার স্বপ্ন থেকেই মাত্র ১৫ বছর বয়সে জিমে যোগ দেন। এখন ১৮ বছরে পা দিয়ে টানা তিন বছর ধরে নিয়মিত ওয়ার্কআউট চালিয়ে যাচ্ছেন, লক্ষ্য—একদিন নিজেকে ফিটনেস আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। সপ্তাহে পাঁচ দিন জিম, পুশ-পুল-লেগস স্প্লিট, সঠিক প্রোটিন ইনটেক, মডারেট কার্বস এবং প্রতিদিন ১-১.৫ ঘণ্টা কার্ডিও—এই হলো তার নিয়ম। জাঙ্ক ও চিনি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলেন যতটা সম্ভব। ফিটনেসে নতুনদের জন্য তার বার্তা—“সিম্পল রাখুন।” ব্যয়সাপেক্ষ ফ্যান্সি ডায়েটের বদলে ঘরের সহজলভ্য খাবার খান, নিয়মিত ব্যায়াম করুন, পর্যাপ্ত ঘুম ও পানি পান বজায় রাখুন এবং ধৈর্য ধরুন।

দেশের মধ্যে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও আফরান নিশো তার পছন্দের অভিনেতা, আর আন্তর্জাতিকভাবে সবসময় হৃত্বিক রোশনই তার রোল মডেল। মিডিয়ায় নতুন হলেও দীপ্ত স্টার হান্টের জার্নিটাই ছিল সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং, কারণ সহ প্রতিযোগীরা ছিলেন অনেক বেশি অভিজ্ঞ। তবুও নিজের চেষ্টা ও আত্মবিশ্বাস দিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার গর্ব তার আছে। আগামী পাঁচ বছরে খ্যাতি, সম্মান ও আর্থিক স্থিতি অর্জন করে পরিবারকে দেখাশোনা করতে চান। এটাই তার সাফল্যের সংজ্ঞা।

অভিনয়, মডেলিং ও ফিটনেস—তিনটি একসাথে চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা তার। তবে অভিনয় ও মডেলিংয়ে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ফিটনেস বজায় রাখার লক্ষ্যও সমানভাবে থাকবে।

Comments
No comments
Add a comment: