মান্না-ডিপজল দ্বন্দ্ব পেরিয়ে জন্ম নেয় সুপারহিট ‘আম্মাজান’
ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম ব্যবসাসফল সিনেমা ‘আম্মাজান’।
মুক্তির দুই যুগেরও বেশি সময় পর এবার সিনেমাটি নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন এর পরিচালক কাজী হায়াৎ।সম্প্রতি নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি জানান, ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আম্মাজান’ সিনেমাটি মুক্তির আগের রাতেই প্রযোজক ডিপজল লাভের মুখ দেখেছিলেন। ছবিটি নির্মাণে খরচ হয়েছিল প্রায় ১ কোটি ২ লাখ টাকা। আর মুক্তির আগের দিনই ডিস্ট্রিবিউশন ও অগ্রিম বুকিং থেকে উঠে আসে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা।
কাজী হায়াৎ বলেন, “বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় যখন ছবির সব প্রিন্ট হলে পৌঁছে দিয়ে বাসায় ফিরলাম, তখনই দেখা গেল ২ লাখ টাকা লাভ। ডিপজল বস্তায় ভরে সেই টাকা নিয়ে গিয়েছিল। এটা ছিল চলচ্চিত্র ইতিহা88;ের একটি রেকর্ড।”পরিচালক আরও জানান, ‘আম্মাজান’ চরিত্রে প্রথমে অভিনয়ের কথা ছিল কিংবদন্তি অভিনেত্রী সাবানার। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি রাজি না হওয়ায় চরিত্রটি করেন অভিনেত্রী শবনম।
এদিকে সিনেমার শুরুতে নায়ক মান্নাকে নিতে আপত্তি ছিল প্রযোজক ডিপজলের। কারণ সে সময় দুজনের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ চলছিল। কিন্তু গল্পের শক্তির কারণে শেষ পর্যন্ত মান্নাকেই নায়ক হিসেবে নেওয়া হয়।শুটিং চলাকালেও মান্না ও ডিপজলের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এক পর্যায়ে শুটিং বন্ধ পর্যন্ত হয়ে যায়। পরে মান্নার উদ্যোগে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে এবং আবারও শুরু হয় কাজ।
সব বাধা পেরিয়ে মুক্তির পর ‘আম্মাজান’ শুধু বাণিজ্যিক সফলতাই পায়নি, বরং বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি কালজয়ী সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

Comments
No comments
Add a comment: