ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চিনাইর শিশুর মননশীলতা বাড়াতে শিশু মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত।

উৎসব মুখর পরিবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলার চিনাইর শিশু মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৯তম শিশু মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার(৯ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনার্স কলেজ ক্যাম্পাসে শিশু মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জেলার ৮টি উপজেলার ১৩১ টি বিদ্যালয়ের ১৭৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে।
দুপুরে পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন মাউশি'র সাবেক মহাপরিচালক, চিনাইর মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও ইউরিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ফাহিমা খাতুন।
পরিদর্শন কালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, শিশুদের মেধা বিকাশের জন্যই আমরা ২০০২ সাল থেকে এই মেধাবৃত্তির আয়োজন করে আসছি। এ বছর জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ব্যতিত ৮টি উপজেলার ১৩১ টি বিদ্যালয়ের ১৭৫০ জন শিক্ষার্থী মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে।
এ বিষয়ে চিনাইর শিশু মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, আমরা যখন শুরু করেছিলাম তখন কয়েকটা ইউনিয়নের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছিল। কিন্তু আস্তে আস্তে এই পরীক্ষায় পুরো জেলার শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেছে। আজ নাসিরনগর, সরাইল, নবীনগর, কসবা সহ বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষার্থীরা এখানে পরীক্ষা দিতে এসেছে। শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য আমাদের এই আয়োজন সব সময় অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, জেলার ৮ উপজেলা থেকে ১৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রথম শ্রেনী থেকে থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত ১৭৫০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেছে। মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫ পার্সেন্ট শিক্ষার্থীকে ট্যালেন্টপুলে ৩ হাজার টাকা এবং ১০ পার্সেন্ট শিক্ষার্থীকে জেনারেল গ্রেডে ২৫০০ টাকা করে এককালীন বৃত্তি প্রদান করা হবে।
আগামী দুই মাসের মধ্যে শিশুমেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে শিশুদের হাতে এই বৃত্তির টাকা, সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেয়া হবে।
এদিকে জেলার সবচেয়ে বড় বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পেরে খুশি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ও তাদের অভিভাবকেরা। আয়োজকেরা জানান শিশুদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি পরীক্ষা ভীতি দূর করার জন্যই তাদের এই প্রয়াস।

Comments
No comments
Add a comment: