
ছোটবেলা থেকে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও, বড় হওয়ার পর মডেলিংয়ের প্রতি আলাদা এক অনুরাগ জন্মায় তার মনে।
এরপর বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার বুলবুল টুম্পা আপুর কাছে গ্রুমিং প্রশিক্ষণ শুরু করেন তিনি।তিনি বলেন, “আমার পরিবার সবসময় আমার ইচ্ছেকে মূল্যায়ন করেছে। মডেলিংয়ের ক্ষেত্রেও তারা আমাকে সমর্থন করেছেন। সবচেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছি আমার আম্মুর কাছ থেকে।”

তাঁর মতে, মানুষের ইচ্ছে শক্তি থাকলে সবকিছু সম্ভব। ব্যস্ত থাকা তার প্রিয় এবং পড়াশোনার পাশাপাশি মডেলিং করে অবসর সময়টাও তিনি অনন্য কাজে ব্যবহার করতে চান।প্রথম কাজের স্মৃতিও রোমাঞ্চকর। তিনি জানান, “প্রথম বার যে কোনো কাজে নার্ভাস থাকা স্বাভাবিক। ক্যামেরার পিছনে একটু নার্ভাস ছিলাম, কিন্তু ক্যামেরার সামনে কখনো নার্ভাস ফিল করিনি।”এখন পর্যন্ত বিভিন্ন কাজের মধ্যে “বিশ্বরঙ” প্রজেক্টের সঙ্গে কাজ করে তিনি সবচেয়ে আনন্দিত।
রোল মডেল সম্পর্কে তিনি কাজী টিভিকে বলেন, “আমার রোল মডেল হলেন ফররুখ আহমেদ রেহান। প্রথম দেখা মডেল ছিলেন নবেল ভাইয়া। তবে মডেলিংয়ে আসার আগ্রহ তৈরি হয় ফররুখ আহমেদ রেহান ভাইয়াকে দেখার পর।”তাঁর দৈনন্দিন চর্চার মূল হাতিয়ার হলো আয়নার সামনে নিয়মিত প্র্যাকটিস এবং গ্রুমিং ক্লাস।স্টাইল নিয়ে তাঁর মতামত: “আমার ফ্যাশন স্টাইল হলো আমি যা পরে কমফোর্টেবল বোধ করি, সেটাই আমার স্টাইল।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, “আমার শুরুটা মডেলিং দিয়ে হয়েছে, তাই এটিকে নিয়মিত করব। পাশাপাশি ভালো যে কোনো কাজের সুযোগ পেলে সেটিও করব। আন্তর্জাতিক মডেল হওয়া প্রতিটি মডেলের স্বপ্ন। দেশের বাইরে কোনো কাজের সুযোগ পেলে অবশ্যই চেষ্টা করব।”একজন ভালো মডেল হওয়ার জন্য তার মতে শুধু সৌন্দর্যই নয়, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং ব্যক্তিত্বও জরুরি।

শেষে তিনি যোগ করেন, “যে কোনো কাজের জন্য দক্ষতা জরুরি। একজন মডেল হতে হলে অবশ্যই সুদর্শন, আত্মবিশ্বাসী এবং ব্যক্তিত্ববান হতে হবে।”

Comments
No comments
Add a comment: