সৈন্য নিহতের পর পাল্টা হামলা চালাতে দেরি করল কেন যুক্তরাষ্ট্র?

গত বেশ কিছুদিন ধরেই হামলা শুরু হবে এমন ধারণা করা হচ্ছিল এবং এই সময়ের মধ্যে বাইডেন প্রশাসন তাদের বিরোধী রিপাবলিকানদের কাছ থেকে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনায় জর্জরিত হতে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের সময় ও শক্তির মাত্রা নিয়েও প্রশ্ন তোলে রিপাবলিকানরা।
কিন্তু কূটনীতি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই কৌশল ইরানকে তাদের লোকজন সরিয়ে নিতে সাহায্য করে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য বড় সংঘর্ষ এড়িয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিরক্ষা বিষয়ক সাবেক ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি মাইক মুলরয় বলছেন, এটা ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ওপর হামলার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে। যদিও এটা তাদের ভবিষ্যৎ হামলা বন্ধ করবে না।’
তিনি বলেন, এর ফলে যেটা লাভ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘সরাসরি যুদ্ধ এড়ানো গেল’।ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কুদস ফোর্স এবং সহযোগী অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর ওপর মোট সাতটি অঞ্চলে হামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের বোমারু বিমান মোট ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘যারা আমাদের ক্ষতি করতে চায় তারা সবাই জানুক, যদি আপনি কোনও আমেরিকানের ক্ষতি করেন, আমরা সেটার জবাব দেব।’
জর্ডানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইরান সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠী, দ্য ইসলামিক রেসিসট্যান্স ইন ইরাককে দায়ী করে এসেছে। এই গোষ্ঠীকে ইরান অস্ত্র, অর্থ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে বলে মনে করা হয়। ইরান এই হামলার সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে।

Comments
No comments
Add a comment: