মালয়েশিয়ার বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি মো:মুবাশশির কবির

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত গ্লোবাল লিডারশিপ সামিট-২০২৬-এ বাংলাদেশের জন্য নতুন গৌরব বয়ে এনেছেন তরুণ প্রতিনিধি মো:মুবাশশির কবির
নেতৃত্ব, দলগত সমন্বয় এবং কার্যকর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন ‘টিম ক্যাটালিস্ট’ (দলগত নেতৃত্বে বিশেষ সম্মাননা)।কুয়ালালামপুরের এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন (APU)-এ আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের ৩৫০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে নেতৃত্ব বিকাশ, উদ্ভাবনী চিন্তা, কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সংকট মোকাবিলা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বাস্তবায়নে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সেশন, কর্মশালা ও দলীয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত তরুণ নেতৃত্ব ফাতিহা আয়াত। তিনি জাতিসংঘ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেডএক্সের বক্তা হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত। তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই তিনি এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মের আয়োজন করেন।
সম্মেলনে মো:মুবাশশির কবির বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রম, নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, সমস্যা সমাধানভিত্তিক অনুশীলন এবং কৌশলগত পরিকল্পনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। দলকে সমন্বিতভাবে পরিচালনা, সহ-অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ এবং গঠনমূলক নেতৃত্ব প্রদর্শনের মাধ্যমে তিনি বিচারকদের প্রশংসা অর্জন করেন।সম্মেলনজুড়ে অংশগ্রহণকারীদের নেতৃত্বের দক্ষতা, উপস্থাপনার মান, বিশ্লেষণী চিন্তাশক্তি, উদ্ভাবনী ধারণা এবং দল পরিচালনার সক্ষমতা মূল্যায়ন করেন অধ্যাপক ফারাহ হানিফ (মালয়েশিয়া), ড. সারভিন্দার কৌর সান্ধু (ভারত), অধ্যাপক ফাতমির শেহু (আলবেনিয়া) এবং ড. নাজমুস সায়াদাত (বাংলাদেশ)।

তাঁদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে দলকে অনুপ্রাণিত করা, কার্যকর সমন্বয় তৈরি, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সম্মিলিত সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ মো:মুবাশশির কবির কে ‘টিম ক্যাটালিস্ট’ (দলগত নেতৃত্বে বিশেষ সম্মাননা) প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অংশগ্রহণ সনদও অর্জন করেন।
মো:মুবাশশির কবিরের এই আন্তর্জাতিক অর্জন বাংলাদেশের তরুণদের নেতৃত্বের সক্ষমতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। তাঁর এই সাফল্য প্রমাণ করে, দক্ষতা, অধ্যবসায় ও কার্যকর নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণরাও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম। তাঁর এই সম্মাননা ভবিষ্যতে আরও অনেক তরুণকে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

Comments
No comments
Add a comment: