নড়াইলে ক্লিনিক মালিকদের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে হয়রানির অভিযোগ।

শুক্রবার সকাল ১১ টায় কালিয়া হাসপাতালে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, গত বছর ১৩ আগষ্ট তিনি এই হাসপাতালে যোগদানের পর সিজারিয়ান চালুসহ হাসপাতালে সরকারি খরচে ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এক্স-রে ও বিভিন্ন ধরনের রক্তপরীক্ষার কাজ পুরাদমে শুরু করেছেন।
গত ১৯ ডিসেম্বর বিসমিল্লাহ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ডা: সামিউল কবিরের নাম ব্যবহার করে রোগীর চিকিৎসা দেয়ার সময় যশোরের মোতাহার হোসেনকে আটক করেন এবং ইউএনও রুনু সাহার পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডসহ সেন্টারটি বন্দ করা হয়।
বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন লাইফ কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের লাইসেন্স না থাকায় অবৈধ ব্যবসা কেন্দ্র বন্দের জন্য নড়াইলের সিভিল সার্জনের দেওয়া নোটিশ তিনি গত ১৪ ফেব্রুয়ারি দিয়েছেন। গ্রামের মানুষকে সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালে সিজারিয়ান, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রেসহ বিভিন্ন ধরনের রক্তপরীক্ষার কাজ চালু হওয়ায় ওইসব ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে রোগীর সংখ্যা কমে গেছে।
অবৈধ সুযোগ সন্ধ্যানীরা জোটবদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরসহ সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা অভিযোগ বক্তব্য দিয়ে তার সন্মানহানীসহ হয়রানি করতে শুরু করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তিনি ওইসব মিথ্যা অভিযোগের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
উপজেলা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার মালিক সমিতির সভাপতি মো. মোতালেব হোসেন ওইসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তারা যে অভিযোগ করেছেন তা শতভাগ সত্য। নিজের অপকর্ম ঢাকতে সাংবাদিকদের কাছে ছাপাই গাইছেন। দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিচার ও শাস্তির দাবিতে তারা শনিবার পৌর শহরে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছেন।

Comments
No comments
Add a comment: