গ্লোবাল লিডারশিপ সামিটে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন মোহুয়া হোসাইন অবনী
আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে বাংলাদেশের জন্য নতুন গৌরব বয়ে এনেছেন তরুণ প্রতিনিধি মোহুয়া হোসাইন অবনী।
মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন (এপিইউ)-এ অনুষ্ঠিত গ্লোবাল লিডারশিপ সামিট ২০২৬-এ অসাধারণ বক্তৃতা দক্ষতা ও আত্মোন্নয়নের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন ‘মোস্ট ইমপ্রুভড স্পিকার’ (সর্বাধিক উন্নতি করা বক্তা) সম্মাননা। একই সঙ্গে সম্মেলনে সফল অংশগ্রহণের জন্য তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অংশগ্রহণ সনদ লাভ করেন।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), নেতৃত্ব, উদ্ভাবন, নীতিনির্ধারণ এবং বৈশ্বিক সহযোগিতাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিভিন্ন দেশের তরুণরা গবেষণা, নেতৃত্ব, কৌশলগত চিন্তা, উপস্থাপনা দক্ষতা এবং বাস্তবভিত্তিক সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরেন।এই সম্মেলনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত তরুণ নেতৃত্ব ফাতিহা আয়াত। তিনি জাতিসংঘ, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কনকর্465;িয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও টেডএক্সের বক্তা হিসেবে সুপরিচিত। তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে তিনি এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছেন।সম্মেলনজুড়ে অংশগ্রহণকারীদের নেতৃত্বের দক্ষতা, উপস্থাপনার মান, আত্মবিশ্বাস, বিশ্লেষণী চিন্তাশক্তি এবং দলগত কার্যক্রম মূল্যায়ন করেন অধ্যাপক ফারাহ হানিফ (মালয়েশিয়া), ড. সারভিন্দার কৌর সান্ধু (ভারত), অধ্যাপক ফাতমির শেহু (আলবেনিয়া) এবং ড. নাজমুস সায়াদাত (বাংলাদেশ)।
বিচারকদের মূল্যায়নে উপস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি, আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য প্রদান এবং নেতৃত্বের ইতিবাচক বিকাশের স্বীকৃতিস্বরূপ মোহুয়া হোসাইন অবনীকে ‘মোস্ট ইমপ্রুভড স্পিকার’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
মোহুয়া হোসাইন অবনীর এই আন্তর্জাতিক অর্জন বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সম্ভাবনা ও নেতৃত্বের সক্ষমতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর এ সাফল্য ভবিষ্যতে আরও অনেক বাংলাদেশি তরুণকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব, উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Comments
No comments
Add a comment: