গরু ৮০০, মুরগি ২৪০, মাছও মিলছে না ২শ’র কমে

রোজার এক সপ্তাহ আগেও গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হলেও বর্তমান বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭৭০ থেকে ৮০০ টাকায়। রোজার বাজারে ক্রেতাদের স্বস্তি নেই মুরগির মাংস ও মাছের দামেও।
এদিকে দাম বাড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া থাকলেও নিরুপায় বলছেন ব্যবসায়ীরা।গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৭০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। তবে মালিবাগ, শাহজাহানপুরসহ কিছু এলাকায় গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এছাড়া সরকারিভাবে রাজধানীর ৩০টি স্থানে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি দরে।জানা গেছে, গত বছরের শেষ দিকে হঠাৎ করে
ঢাকার বাজারে ব্যবসায়ী ও খামারিরা দামে ছাড় দিয়ে মাংস বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। তখন গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা। তবে সে দামে কিছুদিন বিক্রি হলেও এরপর বাজারে গরুর মাংসের দাম আবার বাড়তে থাকে। পবিত্র শবে বরাতের সময় গরুর মাংসের দাম উঠে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়।

গরুর মাংসের আকাশছোঁয়া দামে গরিব-মধ্যবিত্তদের একমাত্র অবলম্বন মুরগির মাংস। তবে সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। কয়েকদিন আগেও ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার মুরগি খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকায়।বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, সোনালী মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও দেশি মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়।

বাজারে কম দামি মাছের তালিকায় আছে পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়া, যেগুলো সাধারণত ২০০ টাকার নিচেই পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমান বাজারে পাঙ্গাশ ২০০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা তিন দিন আগেও ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২৩০ টাকা দরে, যা দুই দিন আগে ২০০-২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল।
আকারভেদে রুই, কাতল কেজিতে ৩২০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মৃগেল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, শোল ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, চাষের কই ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা, শিং মাছ ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, মাগুর ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Comments
No comments
Add a comment: