কেন তারেক রহমানিই ‘ভিলেন’ হয়ে যায় সবকিছুতে

২০০৭ সালে রাজনীতি থেকে দুই নেত্রী খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে সরানোর নীলনকশা এঁকেছিল কেউ ! আবার ও যেন সেই নীল নকশাই আকছে কেউ আর দিন শেষ এ দেখা যাচ্ছে তারেক রহমানই বনে যাচ্ছে ভিলেন ।
ফের মাইনাস টু ফর্মুলায় মেতে উঠেছে দেশ।দীর্ঘ দেড় যুগ পরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ফর্মুলা অভিন্ন হলেও মাইনাসের তালিকায় খালেদার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এক-এগারো ও এর পরবর্তী সময়ে তারেক রহমানকে রাজনীতিতে ‘ভিলেন’ বানানোর অপ্রতিরোধ্য অপচেষ্টার অংশ হিসেবে অব্যাহতভাবে তার চরিত্র হনন করা হয়েছিল।
তাকে জঙ্গি সম্পৃক্ততা, সন্ত্রাসের গডফাদার, দুর্নীতিবাজ ও বিত্ত-বৈভবের মালিক দেখিয়ে মানুষের কাছে খাটো করার পাশাপাশি তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়ার মিশনও নেওয়া হয়েছিল। পর্দার অন্তরালে ওই দৈনিকটির এ ধরনের নীরব নীলনকশা এখনো চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ নিয়ে এরই মধ্যে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। বিএনপি নেতাদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে তীব্র অসন্তোষ।২০১৪ সালের ১২ জুন সোহরাব হাসানের নামে একটি কলাম ছাপে প্রথম আলো। ওই কলামের শিরোনাম ছিল, ‘তারেক বিএনপির ভরসা, না বোঝা?’ মূলত তারেক রহমানকে ব্যর্থ প্রমাণ করতেই কলামটিতে তার সম্পর্কে মনগড়া সব বিশ্লেষণ করা হয়।
তারেক রহমানকে ভিলেন বানানোর লক্ষ্যে লেখা এই কলাম লেখকের আরেকটি কলামের শিরোনাম ছিল, ‘আবার তারেক যুগ! আবার হারিছ প্রশাসন!’২০১২ সালের ১৯ মার্চ পত্রিকাটি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তারেককে জড়িয়ে আরো একটি প্রতিবেদন ছাপে।
শিরোনাম, ‘বিচার শুরু, বাবর তারেক মুজাহিদসহ আসামি ৫২’। পত্রিকাটি গ্রেনেড হামলার পেছনে তারেকের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণে তৎপর ছিল। তাই একের পর এক প্রতিবেদন ছেপেছিল। অথচ অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সম্প্রতি ওই মামলায় তারেকসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
জঙ্গিবাদের সঙ্গে তারেক রহমানের নাম জড়িয়ে অনেক সংবাদ প্রকাশ করে পত্রিকাটি। উইকিলিকসের বরাতে নিজেদের মতো করে মনগড়া এ রকম একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম, ‘বাংলা ভাইয়ের সহযোগীর মুক্তির ব্যবস্থা করেন তারেক রহমান’।

Comments
No comments
Add a comment: