ইউক্রেন-মধ্যপ্রাচ্য-চীন নিয়ে কোন পথে হাঁটবেন ট্রাম্প?

আমেরিকার অনেক বৈশ্বিক নীতিতেই আসবে পরিবর্তন। কারণ, ডেমোক্র্যাটদের অনেক নীতির সাথেই ট্রাম্প একমত নন। আর এই নীতির বদলে ন্যাটো, ইউক্রেন, মধ্যপ্রাচ্য ও চীন নীতিতেই যুক্তরাষ্ট্র অনেক পরিবর্তন আনতে পারে।
নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় ট্রাম্পকে একাধিকবার বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ ‘একদিনে বন্ধ’ করে দিতে পারেন। তবে সেটা কীভাবে করবেন সেই প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য তিনি কিছু বলতে চাননি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধারাবাহিকভাবে বলতে শোনা গেছে যে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং (যুদ্ধের কারণে) মার্কিন সম্পদ ‘বেরিয়ে যাওয়া’ বন্ধ করা তার কাছে অগ্রাধিকার পাবে।ইউক্রেনের মতোই, মধ্যপ্রাচ্যে ‘শান্তি’ আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর অর্থ হলো তিনি গাজায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ এবং লেবাননে ইসরাইল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের ইতি টানবেন। কিন্তু তা তিনি কীভাবে করবেন, সে বিষয়ে কিছু বলেননি।
নির্বাচনি প্রচারের সময় বেশ কয়েকটা বিবৃতি দিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন যে তিনি গাজায় চলমান যুদ্ধের অবসান চান। তিনি বারবার দাবি করেছেন, জো বাইডেনের পরিবর্তে যদি তিনি ক্ষমতায় থাকতেন তাহলে ইরানের (যারা হামাসকে অর্থায়ন করে) উপর তার (ডোনাল্ড ট্রাম্পের) ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের নীতির কারণে হামাস ইসরায়েল আক্রমণ করত না।আগের বার ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনকে সে দেশের ‘কৌশলগত প্রতিযোগী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।
একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রে কিছু ক্ষেত্রে চীনা আমদানির উপর শুল্কও আরোপ করেছিলেন। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে আমেরিকান পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বেইজিংও শুল্ক আরোপ করে। এবারের নির্বাচনি প্রচারাভিযানে ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ‘উজ্জ্বল’, ‘বিপজ্জনক’ এবং একইসঙ্গে ‘একজন অত্যন্ত কার্যকর নেতা হিসেবে প্রশংসা করেছেন যিনি ১৪০ কোটি মানুষকে লৌহ মুষ্টি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

Comments
No comments
Add a comment: